Tuesday, 1 December, 2020 খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

একজন সফল জনপ্রতিনিধি মেয়র জুয়েল আহমেদ


নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৫ সালের পৌরসভা নির্বাচনে জনগনের ভোটে প্রথম বার আওয়ামীলীগ মনোনীত তরুন উদ্দীয়মান সমাজ সেবক মোঃ জুয়েল আহমেদ কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। নিবার্চনকালীন পৌরবাসীর কাছে ওয়াদা করেছিলেন একটি আধুনিক পৌরসভা ও মানুষের উন্নয়নে কাজ করবেন।
৩০ জানুয়ারী ২০১৬ সাল। ৪ বছর আগে পৌরপিতা হিসাবে দায়িত্ব নেন। ভোট করে আমানত হিসাবে মনে করে ৯টি ওয়ার্ডের উন্নয়ন ত্বরানিত্ব করতে বতর্মান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য ও উদেশ্য কে ব্যবহার করে গোটা পৌরসভার চেহারা পাল্টে মনোনিবেশ করেন। স্খানীয় এমপির সহযোগীতা ও পৌরপরিষদ এর সকল কাউন্সিলরের সম্বন্বয়নে কাজ শুরু করেন। সি গ্রেড পৌরসভাকে বিগ্রে ডে উন্নীত করে পৌরবাসীর সুযোগ সুবিধা বাড়িয়েছেন। পৌরবাসীকে দেয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ড্রেনেস ব্যবস্থা উন্নয়ন, অসমাপ্ত রাস্তাঘাট, সড়কবাতি স্থাপন, বৈদ্যুতিক সংযোগ, মসজিদ উন্নয়ন, ঈদগাহ উন্নয়ন, মান্ডপ উন্নয়নসহ পৌরবাসী সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু করেন। বিনোদনের জন্য শিশু পার্ক তৈরী, ধলাই নদীর উপর ৭ কোটি টাকার ব্রীজ নিমার্নসহ বয়স্ক ভাতা, বিধবা, প্রতিবন্ধীভাতা, মশা নিধন সহ নানা কল্যান মুখী কাজের উদ্যোগ নেন। পৌরসভা ভবনকে আধুনিক ভবনে পরিনত করার পাশাপাশি গ্রেস্ট হাউস নির্মান করার কাজ চলছে।
পৌরবাসীকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে ইতি মধ্য ১৫ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে যা কাজ দ্রুত শুরু হবে। কমলগঞ্জবাসীকে ইসলামের দাওয়াত পৌছাতে কাজ করা ইসলামীক ফাউন্ডশনে নিজে জমি দান করে ১৪কোটি টাকা ব্যয়ে আধুুনিক ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ নির্মানে সহযোগীতা করেছে যা পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে ফাইলিং কাজ চলছে। এটা সমাপ্ত হলে পৌরবাসীর চেহারা পাল্টে যাবে। ধলাই নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রনে স্থায়ী বাঁধ নিমার্নে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দেনদরবার করে বরাদ্ধ এনেছেন। প্রতিটি মসজিদ এর ইমাম ও মন্ডপের পুরোহিতদের সম্মানী প্রদানে ব্যবস্থা করেছেন।
প্রায় চার বছরে পৌরসভায় কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ সমপ্ন্ন হয়েছে। পৌরসভার যে দেখি তাকাবেন সব দিকে উন্নয়নের ছোয়া। লাইটের আলোয় আলোকিত পৌরসভা। শুধু উন্নয়ন নয় সুখে দুঃখে মানুষের পাশে ছুটে যান। বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুযোর্গ যখন হয় সাথে ছুটে চলেন। বলতে গেলে যোগ্য নগরে যোগ্য পিতা। চার বছরে মানুষের শতভাগ চাহিদা পুরণ করা সম্ভব নয় তবে প্রায় ৮৫ ভাগ সমস্যা সমাধান করে ফেলেছেন। বাকী সমস্যা বাকী এক বছরে সম্প্ন্ন করা হবে বলে নাগরিকরা মনে করেন। মেয়র জুয়েল আহমেদ মানুষের মনে স্থান করে আগামীতে এগিয়ে যাবেন এমন প্রত্যাশা সবার

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by :