Thursday, 2 April, 2020 খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

কমলগঞ্জে পুলিশ ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে ফার্মেসী ও দোকানে গোল বৃত্ত

এম. রহমান:
করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ভানুগাছ বাজারে ফার্মেসি ও দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ৩ ফুট দূরত্ব নিশ্চিতের গোল চিহ্ন একে দিল পুলিশ ও উপজেলা ছাত্রলীগ। ক্রেতা যাতে দুরত্ব বজায় রেখে গোল বৃত্ত অবস্থান নিয়ে ঔষধ ও অন্যান্য মালামাল ক্রয় করতে এ চিহ্ন বা বৃত্ত আকাঁ হয়। বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ দুপুর ১২টায় পৃথক পৃথক ভাবে ভানুগাছ বাজারে গোল বৃত্ত আঁকা হয়।
জানা যায়, দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমিত না হয় এবং সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি লক্ষ্যে সরকারে ষোষিত সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে বৃহস্পতিবার কমলগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সাকের আলী সজীবের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ রং হাতে নিয়ে ভানুগাছ বাজারের ফার্মেসী গুলোর সামনে এ গোল চিহ্ন একে দেন। ক্রেতারা যেন তিন ফুট দুরত্ব বজায় রেখে ঔষধ ক্রয় করেন তা নিশ্চিত করতেই এ গোল চিহ্ন একে দেয়া হয়। বাজারের সব কয়টি ফার্মেসীতে এ চিহ্ন আকাঁ হয়। এসময় ক্রেতাদের গোল বৃত্ত ব্যবহার করা অনুরোধ করা হয়। ক্রেতারাও বৃত্ত ব্যবহার করে ৩ফুট দুরত্ব বজায় রেখে জিনিসপত্র ক্রয় করতে দেখা যায়। ছাত্রলীগের ব্যতিক্রম কর্মসুচীতে উৎসাহ দিতে হাজির হন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জুয়েল আহমেদ,এএসপি সার্কেল শ্রীমঙ্গল আশরাফুজ্জামান, ওসি আরিফুর রহমান প্রমুখ। অপর দিকে কমলগঞ্জ পুলিশ প্রশাসন এর উদ্যোগে একইভাবে ওসি আরিফুর রহমানের নির্দেশে উপজেলা চৌমুহনীসহ কয়েকটি বাজারে মুদি দোকানের সামনে গোল বৃত্ত আকাঁ হয়। ওসি তদন্ত সুধীন চন্দ্র দাস নিজেই রং দিয়ে দোকানগুলোর সামনে সারিবদ্ধ ৪জনের ক্রেতার জন্য গোল বৃত্ত একেঁ দেন। তাদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সবার কাছে প্রসংশিত হয়েছে।
কমলগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত সুধীন চন্দ্র দাস বলেন, দোকানগুলোর বৃত্ত ব্যবহার করে যদি জিনিসপত্র ক্রেতা নেন তাহলে সামাজিক দুরত্ব বজায় থাকবে এবং করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হবে না।

Developed by :