Wednesday, 15 July, 2020 খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

কমলগঞ্জের আম্বিয়া কেজি স্কুলের পরীক্ষা অনলাইনে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
করোনা পরিস্থিতির কারনে সরকারী নিদের্শে সকল শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ। তবে এ বন্ধের মধ্যও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রায়,তিন মাস ধরে Whatapps গ্রুপের মাধ্যমে অনলাইনে ক্লাস চালু করে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার অন্যতম বেসরকারী প্রতিষ্টান আম্বিয়া কে,জি স্কুল। সেখানে প্লে হতে পঞ্চম শ্রেনীর সকল শিক্ষার্থীরা নিয়মিত সাপ্তাহিক ক্লাসে অংশ গ্রহন করছে। এ অনলাইন ক্লাস চালু হবার পর ব্যাপক সাড়া পড়ে অভিভাবকদের মধ্য। তারা বাড়িতে বসে সন্তানদের লেখাপড়া করিয়েছেন। তার ধারাবাহিকতায় এবার অনলাইনে বিশেষ পরীক্ষা নামে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্টানটি।
রুটিনসহ সকল কিছুই অনলাইনে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা পেয়েছেন। আজ ২৫ জুন থেকে সকল শ্রেনীর ছাত্রছাত্রীদের নিজ নিজ বাসা বাড়িতে অবস্থান করে বিধি অনুযায়ী অনলাইনে বিশেষ মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করতে যাচ্ছে। প্রায় শত ভাগ শিক্ষার্থী অনলাইনে যুক্ত রয়েছেন। সকাল ১০ টা হতে দুপুর সাড়ে ১২টা পযর্ন্ত পরীক্ষা অনুষ্টিত হবে। পরীক্ষা শুরু ৫ মিনিট আগে প্রশ্ন পত্র গ্রুপে দেয়া হবে। অভিভাবকদের তত্তাবধানে পরীক্ষা অনুষ্টিত হবে নিজ নিজ বাসা বাড়িতে। এ বিশেষ পরীক্ষার ভিতর দিয়ে ছাত্র শিক্ষক ও অভিভাবকের মাঝে একটা ভিন্নতর সেতু বন্ধন তৈরী হবে বলে স্কুলের সংশ্লিষ্টরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
এ ব্যাপারে স্কুলের প্রতিষ্টাতা সালাহ উদ্দীনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, আম্বিয়া কেজি স্কুল প্রতিষ্টালগ্ন থেকে বানিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা তাড়িত হয়নি বলে শিক্ষক,অভিভাবক,সুধীজনসহ সংশ্লিস্ট সকলের মতামত বিবেচনা নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। বতর্মান পরিস্থিতিতে বিধি বিধানের সীমানা মেনে ঠিকই অনলাইনে ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়েছে।
স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আহমদ সিরাজ বলেন, বিদ্যমান করোনা দুর্যোগ দেশের ছাত্ররাই বিপদের মুখে পড়েছে।পরিস্থিতিনাজুকতা অনেক কিছু অসম্ভব করে তুললেও সৃজনশীল উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহন সম্বব। এ পরিস্থিতিতে আম্বিয়া কেজি স্কুল নিজস্ব ধারায়, নিজস্ব কায়দায় অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রচলিত ধারনার বাহিরে নতুন এক অভিজ্ঞতা।
অধ্যক্ষ মমতা রানী সিনহা বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে শুরু থেকেই আমাদের ভাবনায় ছিলো। শিক্ষক। অভিভাবকদের আন্তরিকতা ও কমিটির নজরধারী থাকাতে আমরা সম্মিলিত এ উদ্যোগ গ্রহন করে ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্টানে উদ্যোগ নিতে সামর্থ হয়েছি। অভিভাবকরা ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। নতুন পরিস্থিতি, নতুন অভিজ্ঞতা, আমাদের জন্য নতুন মডেলের পথ খুলে দিতে পারে।

Developed by :